প্রো-মেটাফেজ, মেটাফেজ, অ্যানাফেজ ও টেলোফেজ (পাঠ ৩)

জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি - বিজ্ঞান - অষ্টম শ্রেণি | NCTB BOOK

11.9k

প্রো-মেটাফেজ : এ ধাপটি স্বল্পস্থায়ী। এ ধাপে-

১. নিউক্লিয়ার পর্দা ও নিউক্লিওলাস প্রায় বিলুপ্ত হয়ে যায়। 

২. কোষের উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত কতগুলো তত্ত্বর আবির্ভাব ঘটে। এগুলো মাকুর আকৃতি ধারণ করে তাই একে স্পিন্ডল যন্ত্র বলে। স্পিন্ডল যন্ত্রের মধ্যভাগকে বিষুবীয় অঞ্চল বলে। প্রাণিকোষে সেন্ট্রিওল দুটির চারদিক থেকে বিচ্ছুরিত রশ্মির মতো অ্যাস্টার রশ্মির আবির্ভাব ঘটে এবং কোষের দুই বিপরীত মেরুতে পৌঁছাতে স্পিন্ডল তন্ত্র গঠন করে। তত্ত্বগুলো পরস্পর যুক্ত হয়ে স্পিন্ডল যন্ত্র গঠন করে।

 

চিত্র ২.৪ : প্রো-মেটাফেজ

মেটাফেজ— এ ধাপে
১. ক্রোমোজোমগুলো স্পিন্ডল যন্ত্রের বিষুবীয় অঞ্চলে আসে এবং সেন্ট্রোমিয়ারের সাথে তত্ত্ব দিয়ে আটকে থাকে। 

2. এ ধাপে ক্রোমোজোমগুলো সবচেয়ে খাটো ও মোটা দেখায়।

চিত্র ২.৫ : মেটাফেজ

 

অ্যানাফেজ- এ ধপে 

১. প্রতিটি ক্রোমোজোমের সেন্ট্রোমিয়ার দুভাগে বিভক্ত হয়ে যায়, ফলে প্রত্যেক ক্রোমাটিডে একটি করে সেন্ট্রোমিয়ার
থাকে।
২. ক্রোমাটিডগুলো পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ অবস্থার প্রতিটি ক্রোমাটিডকে অপত্য ক্রোমোজোম বলে। 

৩. এরপর ক্রোমোজোমগুলোর সাথে যুক্ত ভগ্নগুলোর সংকোচনের ফলে অপত্য ক্রোমোজোমের অর্ধেক উত্তর মেরুর দিকে এবং অর্ধেক দক্ষিণ মেরুর দিকে অগ্রসর হতে থাকে। এ সময় ক্রোমোজোমগুলো ইংরেজি বর্ণমালার V. L. J অথবা I আকৃতি বিশিষ্ট হয়।

চিত্র ২.৬ অ্যানাফেজ
Content added || updated By
Promotion

Are you sure to start over?

Loading...